আরিফুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক, তাজাখবর র্ডেস্ক :
কবি, লেখক ও গবেষক মো. জয়নাল আবেদীন ১৯৬৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভেলানগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
বর্তমানে তিনি রাজধানীর বাড্ডায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাঁর পিতা মরহুম নুরু মিয়া, মাতা মরহুমা খোদেজা বেগম। দাদা মরহুম মুন্সি ইমাম উদ্দিন এবং নানা মরহুম লাল মিয়া সাহেব—যিনি ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।
শৈশব থেকেই তিনি জীবনের কঠিন বাস্তবতা ও সমাজের নানা স্তরের মানুষের জীবন সংগ্রামের সঙ্গে পরিচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনের একপর্যায়ে ১৯৯৬/৯৭ সালে জাতিসংঘের অধীনে ইরাক-কুয়েত অবজারভেশন মিশনে দায়িত্ব পালন করেন, যা তাঁর জীবনে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
বর্তমানে তিনি শুধু একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যই নন, বরং একজন কবি, লেখক ও গবেষক হিসেবে সমাজে বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর লেখায় প্রেম, দ্বেষ, সমাজ, রাষ্ট্র, প্রকৃতি, ধর্ম, পৃথিবী, সৃষ্টিতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব এবং গণতন্ত্র—সবকিছুরই গভীর বিশ্লেষণ ও দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে ওঠে। তাঁর লেখার বৈশিষ্ট্য হলো সহজ-সরল ভাষায় জীবনের বাস্তব কথা তুলে ধরা, যেখানে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর প্রতিফলিত হয়।
তিনি সবসময় হাসিখুশি, শান্ত এবং সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়া একজন মানবিক মানুষ হিসেবে পরিচিত। সমাজসেবা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান এলাকাবাসীর কাছে তাঁকে আলাদা মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছে।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনীর ঐক্যজোট এবং সৃজনশীল প্যারা মিলিটারি ক্যাডেট স্কুল, বাড্ডা, ঢাকার সম্মানিত উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সাহিত্যচর্চার ধারাবাহিকতায় তাঁর লেখা বিভিন্ন অনলাইন ও দৈনিক পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে অমর একুশে বইমেলায় তাঁর চারটি একক কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে—
“বরাবর-১”, “বরাবর-২”, “বরাবর-৩” এবং “বরাবর-৪”।
আসন্ন অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ স্বরলিপি পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তাঁর পঞ্চম একক কাব্যগ্রন্থ “বরাবর-৫”। কবি আশা প্রকাশ করেছেন, এই বইটি পাঠকদের কাছে নতুন ধাঁচের ও ভিন্নধর্মী সাহিত্যিক অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে।
এদিকে, ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। তাঁর পরিবারিক ঐতিহ্য, সামরিক অভিজ্ঞতা, সাহিত্যিক চিন্তাধারা এবং দীর্ঘদিনের মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড—সব মিলিয়ে স্থানীয় জনগণের মাঝে তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও ইতিবাচক প্রত্যাশা।
স্থানীয়দের মতে, একজন সৎ, অভিজ্ঞ, শিক্ষিত ও মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে মো. জয়নাল আবেদীন ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের জন্য একটি সম্ভাবনাময় পরিবর্তনের প্রতীক হতে পারেন।