আরিফুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদক,তাজাখবর ডেস্ক :
আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঝে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। নির্বাচন কমিশন (ইসি) শিগগিরই তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে—
এমন প্রত্যাশার মধ্যেই দল-মত নির্বিশেষে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রচারণা এবং পোস্টার-ব্যানারের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন।
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল ১৪ নং লালখানবাজার ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সুমন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে ইতোমধ্যে তিনি স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করেছেন।
রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া সুমনের পিতা মরহুম আবু মুছা ভূঁইয়া ছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি। সেই ধারাবাহিকতায় ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। নাসিরাবাদ সরকারি বালক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং পাহাড়তলী সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করে ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ইউনিট ও ওয়ার্ড ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রায় ২৭ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় তিনি দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। অতীতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে গিয়ে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন তিনি।
রাজনীতির পাশাপাশি একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত সুমন। নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার সংলগ্ন শাহ আমানত সিটি কর্পোরেশন সুপার মার্কেটে তার একাধিক আইটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (চট্টগ্রাম শাখা)-এর পরিচালক, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্য এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত।
ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। লায়ন্স ক্লাব, মসজিদ পরিচালনা কমিটি, মানবাধিকার ও সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থাসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কাজ করে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক।
সুমন বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের সেবার মাধ্যম। দীর্ঘদিন জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। তাদের দোয়া ও সমর্থনে আমি ১৪ নং লালখানবাজার ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর প্রার্থী হতে চাই। নির্বাচিত হলে এই ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।