আরিফুল ইসলাম,প্রতিবেদন:
প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:০১ পিএম
রমজানের প্রথম শুক্রবার ও সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাজারগুলোতে বেড়েছে ক্রেতার ভিড়।
সেই সঙ্গে মাছ–মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও লেগেছে ঊর্ধ্বগতি। রোজার শুরুতেই এমন মূল্যবৃদ্ধিতে হতাশ সাধারণ ক্রেতারা।
🐔 মুরগি ও মাংসে বাড়তি চাপ
সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০–৩৪০ টাকা কেজিতে, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ২৭০–২৮০ টাকা। ব্রয়লার ২০০–২১০ টাকা (আগে ১৮০), লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গরুর মাংস ৮০০–৮৫০ টাকা কেজি—রোজার আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। খাসির মাংস অপরিবর্তিত, কেজি ১,২০০ টাকা।
🐟 মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই
মাঝারি রুই ৩৫০–৪২০, কাতলা ৩৮০–৪৫০, পাঙ্গাস ২০০–২২০, তেলাপিয়া ২২০–২৫০ টাকা কেজি। ইলিশ আকারভেদে ১,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা। শিং ৫০০–৬০০, মাগুর ৫৫০–৬৫০ এবং চিংড়ি ৮০০–১,২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশি মাছের সরবরাহ কম ও পরিবহন ব্যয় বাড়ায় দাম চড়া।
🥬 কাঁচাবাজারে মিশ্র চিত্র
কুমড়া ১৬–২০, মুলা ১২–২০ টাকায় মিললেও রোজার পণ্যে বাড়তি চাপ। বেগুন ও শশা ৭০–১২০, লেবু হালি ৮০–১২০ টাকা। পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা কমে ৪০ টাকায় নেমেছে।
ডিমের বাজার স্থিতিশীল—ডজন ১১০ টাকা।
ক্রেতাদের আক্ষেপ
রামপুরা ও বনশ্রীর ক্রেতারা বলছেন, রোজা শুরু হতেই বাজার যেন “আরেক ধাপ ওপরে।” আয় না বাড়লেও খরচ বাড়ছে প্রতি সপ্তাহে। সংসারের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
ব্যবসায়ীদের বক্তব্য
বিক্রেতাদের দাবি, ইফতার মাহফিল, দাওয়াত ও মৌসুমি চাহিদা বৃদ্ধির কারণে পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়েছে। পরিবহন ও বরফের খরচও যুক্ত হয়েছে।
রমজানের শুরুতেই বাজারে এমন চাপ কতটা স্থায়ী হবে—তা নিয়ে শঙ্কায় ক্রেতারা। সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে মাসের মাঝামাঝি আরও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন তারা।