ঢাকা প্রতিনিধি:
ঢাকা প্রধান উপদেষ্টার অফিস এবং অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় এগিয়ে যান।
কিন্তু শাহবাগ, ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা ও যমুনা রুটে পুলিশের দাঁড়িপাল্লা পেরিয়ে বিক্ষোভকারীরা যমুনার কাছে পৌঁছালেও অগ্রগতি থেমে যায়। পুলিশের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস এবং সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়; এতে বিক্ষোভকারীরা সেখানে দমনাবস্থায় পড়ে।
পুলিশের এই পদক্ষেপে কয়েকজন কর্মচারী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং কিছু আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ সরিয়ে নেয়। পুলিশ প্রশাসনের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি না করার জন্য তারা এসব ব্যবস্থা নিয়েছে।
এদিকে এ বিক্ষোভ এবং পুলিশি পদক্ষেপের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়েছে, যা দেশজুড়ে বিতর্ক ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
মূল দাবী:
৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ
২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর করা
— যা সরকারি কর্মচারীরা দাবি করেন প্রায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও বাস্তবায়িত হয়নি।
পটভূমি: ৯ম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী সরকারী কর্মচারীদের বেতন কাঠামো উন্নত করার লক্ষ্যে নবম পে-স্কেল প্রস্তাব করা হয়েছিল। অতীতে এই ধরনের দাবিতে আন্দোলন দেশব্যাপী বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটিয়েছে এবং তা রাজনৈতিক টানাপোড়েনেও পরিণত হয়েছে।
এই ঘটনা সামনে আসার পর সামাজিক মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে দাবিদার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্র ও তৎপরতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।