চট্রগ্রামে আর্বজনা অপসারণে সাবেক কাউন্সিলর মোরশেদ আখতার চৌধুরী, উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ

চট্রগ্রামে আর্বজনা অপসারণে সাবেক কাউন্সিলর মোরশেদ আখতার চৌধুরী, উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ

জাতীয় বাংলাদেশ রাজনীতি
টানা ২/৩ দিন বৃষ্টির কারণে  চট্রগ্রামের বিভিন্ন এলাকা পানির জমাট বেধে গিয়ে চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পরে এবং সাধারণ জনগণ অনেক ভোগান্তির শিকার হন এবং সেই সময় জনগণের কষ্ট কমাতে এগিয়ে আসেন  হালিশহর ১১ নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর জনাব মোরশেদ আখতার চৌধুরী, সাথে সাথে তিনি  সিটি কর্পোরেশনের সেবক দল ও এলাকাবাসী সহ যৌথ উদ্দেগে আর্বজনা অপসারণ ও জমাটবাঁধা পানির নিস্কাশন করেন, তারপর এলাকার মানুষ শান্তিতে চলা ফেরা করতে পেরে আনন্দিত এবং সাবেক কাউন্সিলর জনাবকাউন্সিলর মোরশেদ আখতার চৌধুরী কে ধন্যবাদ জানান, শুধু তাই নয় সাবেক এই কাউন্সিলরকে উনার উন্নয়ন কাজ সম্পুর্ন করতে এবং সব সময় এরকম মানবিক নেতাকে  আবার উনাদের মাঝে কাউন্সিলর অথবা আরো উঁচু পদে দেখতে চান বলে মন্তব্য করেছেন এলাকাবাসি,
চট্রগ্রামে আর্বজনা অপসারণে সাবেক কাউন্সিলর মোরশেদ আখতার চৌধুরী, উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ
কলেজ রোড মসজিদ সংলগ্ন খাল থেকে আর্বজনা অপসারণ করার সময়
সাবেক এই জন প্রতিনিধি খুব উধার মনের এবং মানবিক নেতা হিসাবেও অনেকে মন্তব্য করেছেন তাই উনার এলাকার জনগণ উনাকে এত ভালোবাসেন। সাবেক এই কাউন্সিলর জনগণের সেবা করতে পেরে নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করেন এবং ক্ষমতা থাকুক বা না থাকুক উনি সব সময় মানুষের কল্যাণে ছিলেন আছেন এবং থাকবেন বলে জানিয়েছেন এবং উনার সোশ্যাল সাইটে উনি বলেছেন যে,
“কলেজ রোড মসজিদ সংলগ্ন খাল থেকে আর্বজনা অপসারণ করার সময় আমি ও সিটি কর্পোরেশনের সেবকগণ, সাথে এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর সাহায্য ছাড়া কখনোই পানির জমাটবাঁধা নিস্কাশন করা সম্ভব ছিলো না আর আমার উৎসাহ উদ্দ্বীপনায় এলাকার মানুষ আমাকে সহযোগিতা করেছে এলাকা উন্নয়নে। হালিশহর ‘এ’ ব্লকের বাসিন্দা ও পুরো ১১ নং দক্ষিণ কাট্টলী কেমন দুর্যোগে পূর্ণ ছিলো তা এলাকাবাসীর অজানা নয়। সাহসী কন্ঠে বলতে পারি, “একমাত্র আমিই নির্বাচিত হবার পর থেকে পুরো ১১ নং ওয়ার্ডকে বাসযোগ্য করে তুলি” (উল্লেখ্য যে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের ভিপি হবার পর থেকেই এলাকার উন্নয়নে নিজেকে আমি উৎসর্গ করলেও তা সম্ভব হয়নি)। এমনও দেখা গেছে বর্তমানে পুরো চট্টগ্রাম ডুবে যায় কিন্তু আমার এলাকা ডুবে না কারন পর্যাপ্ত নালা নর্দমা, খালের প্রশস্থ বর্ধিতকরন ও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন। টানা ২য় বার নির্বাচিত হয়ে এলাকাতে এ পর্যন্ত যা উন্নয়ন করেছি তার অবশিষ্ট কাজ আমি আমার মতো আর এলাকাবাসীর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে করতে চাই।””
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *