আরিফুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক,তাজাখবর ডেস্ক:
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন তরুণ সমাজকর্মী ও জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী আব্বাস খান।
দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ড, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এবং স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরব ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। স্থানীয়দের মতে, আব্বাস খান একজন সচেতন, মেধাবী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি—যিনি শুধু প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ থাকেন না, বরং বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ান। ট্রাফিক সমস্যা নিরসনসহ জনদুর্ভোগ কমাতে তার কার্যকর ভূমিকা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও পুরো বাঁশখালীজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এলাকার এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের বড় একটি সংকট হলো শিক্ষার অভাব। দলীয় প্রভাবের কারণে অনেক সময় অযোগ্য ব্যক্তিরা নির্বাচিত হন, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বিচারব্যবস্থা ও সামাজিক শৃঙ্খলায়। অনেক ক্ষেত্রে ছোট-বড় বিরোধ সঠিকভাবে নিষ্পত্তি না হয়ে আপসের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হয়, যা ভুক্তভোগীদের জন্য ক্ষতিকর।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর অনেক জনপ্রতিনিধি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন এবং দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। কোথাও কোথাও প্রভাব বিস্তার করে ‘মাফিয়া’ চক্র গড়ে ওঠে, ফলে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
এমন প্রেক্ষাপটে স্থানীয়দের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রয়োজন তরুণ, শিক্ষিত, সৎ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব। আব্বাস খান সেই যোগ্যতার অধিকারী বলেই তারা মনে করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, আব্বাস খান একজন মানবিক ও শিক্ষিত ব্যক্তি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং ন্যায়সংগত দাবিতে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
প্রার্থিতা ঘোষণার পর আব্বাস খান বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে সরল ইউনিয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করব। পাশাপাশি রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি এবং সকল ধরনের অবৈধ কার্যক্রম নির্মূলে কাজ করব।”
এলাকাবাসীর অনেকেই আশাবাদী, আব্বাস খান নির্বাচিত হলে সরল ইউনিয়নে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হবে।