স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা | প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
রমজানের প্রথম দিনেই নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন,পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে দেখা দিয়েছে চরম অস্থিরতা।
ইফতারের অপরিহার্য উপকরণ—লেবু, বেগুন, শসা ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকার দাবি থাকলেও গত এক সপ্তাহে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ।
🍋 লেবুতে সর্বোচ্চ উত্তাপ
দুই সপ্তাহ আগেও যে লেবুর হালি ছিল ২০–৪০ টাকা, বৃহস্পতিবার তা বিক্রি হচ্ছে ১০০–১৪০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি পিস লেবুর দাম ২৫–৩৫ টাকার মধ্যে। অনেক বাজারে একটি লেবুর দাম প্রায় এক হালি ডিমের সমান বলে মন্তব্য করেছেন ক্রেতারা।
বিক্রেতাদের দাবি, অফ-সিজন ও হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধির কারণে পাইকারি বাজারেই দাম চড়া।
🍆 বেগুন-শসায় ‘সেঞ্চুরি’
ইফতারের জনপ্রিয় আইটেম বেগুনি ও সালাদের উপকরণের দামও নিয়ন্ত্রণের বাইরে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে—
বেগুন ও শসা: প্রতি কেজি ১০০–১৪০ টাকা
কাঁচা মরিচ: কেজি ২০০ টাকার বেশি
দেশি পেঁয়াজ: ৬০–৭০ টাকা (কেজিতে বেড়েছে ১০–১৫ টাকা)
🥭 ফল ও খেজুরেও ঊর্ধ্বগতি
রমজানে চাহিদা বাড়ায় সাধারণ মানের খেজুরের কেজি ৩০০ টাকার নিচে মিলছে না। আপেল ও মাল্টার দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০–৮০ টাকা।
🍗 মাছ-মাংসেও চাপ
রমজানের প্রথম দিনেই মাছ ও মাংসের বাজারও ঊর্ধ্বমুখী।
ব্রয়লার মুরগি: ১৯০–২০০ টাকা (প্রতি কেজি)
সোনালি মুরগি: ৩৫০ টাকা
গরুর মাংস: এলাকাভেদে ৮৫০–৯৫০ টাকা
তবে ডাল ও ছোলার দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও আগের সপ্তাহের তুলনায় সামান্য বেশি।
ক্রেতা-বিক্রেতার দোষারোপ
ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান এলেই একটি অসাধু চক্র সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ায়। যথাযথ বাজার মনিটরিং না থাকায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন, মোকাম ও পাইকারি বাজারে বেশি দামে পণ্য কিনতে হওয়ায় খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ানো ছাড়া তাদের উপায় নেই।
রমজানের শুরুতেই বাজারের এই অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সচেতন