চাকরি পাওয়া সরকার উল্টানোর থেকেও কঠিন! — WSJ বিশ্লেষণে বাংলাদেশের যোগ্য যুবদের কঠিন বাস্তব

আন্তর্জাতিক জাতীয় বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট | প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ

গত বছর ২০২৪-এর ত্রাণমূলক রাজনীতি থেকে শুরু করে বৃহৎ তরুণ নেতৃত্বাধীন আন্দোলন উত্থানস্বরূপ বাঙালি Gen Z-দের উদ্যোগ একই সাথে বিশ্বব্যাপী নজর কাড়লেও, চাকরি বাজারে সেই “রেভলিউশনারি জয়” বাস্তবে পরিবর্তন আনতে পারেনি—এমনই ব্যপ্তি সম্প্রতি The Wall Street Journal-এর একটি বড় রিপোর্টে দেখা গেছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, শুধু সরকার পরিবর্তন করা কঠিন নয়—বর্তমানে চাকরি পাওয়া তার থেকেও বেশি কঠিন চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিত ফ্রেশারদের জন্য প্রতিযোগিতা ও বেকারত্ব বেড়ে গেছে, এমনকি যোগ্যতার সাথে চাকরির চাহিদার মিল কমে যাওয়ায় অনেক প্রার্থীর পথ আজ অনিশ্চয়তায় ঠেকে যাচ্ছে।

ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও অন্যান্য উপাত্ত অনুযায়ী, গত বছর বাংলাদেশে মোট কর্মসংস্থান প্রায় দুই মিলিয়ন কমে গেছে এবং স্বল্প দক্ষতা ও স্মৃতি-ভিত্তিক উচ্চশিক্ষা মালমশলা দিয়ে তৈরি করা ডিগ্রিধারী তরুণদের চাকরির চাহিদা বাজারের বাস্তব চাহিদার সাথে খাপ খাইয়ে উঠছে না।

তাছাড়া WSJ-এর পৃথক ফিচার অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জন্য চাকরি বাজারও আগের বছরের তুলনায় আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে—বিশেষ করে এই বছর গ্রাজুয়েটদের জন্য স্থায়ী পজিশনের সংখ্যা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিরীহ চাকরিপ্রার্থী ডিগ্রিধারী যুবকেরা বলছেন, শিক্ষাজীবন শেষে government job-এর জন্য লম্বা অপেক্ষা ছাড়া উল্লেখযোগ্য বিকল্প খুঁজে পাচ্ছেন না, আর বেসরকারী চাকরির ক্ষেত্রেও অভিজ্ঞতা-চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় সুযোগটি সীমিত।

বিশ্লেষকদের মতে, তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও দক্ষতার ভিত্তিতে পুনঃপ্রশিক্ষণের সুযোগ না করা হলে, শিক্ষিত বেকারত্ব সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইস্যু হিসেবে আরও গভীরতা পেতে পারে।

যুবকদের কাছে প্রশ্ন এখন একটাই:

  1. কোথায় যাচ্ছে এই যোগ্য তরুণ শক্তি, আর কীভাবে তারা কর্মজীবনে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলবে?

চাকরি পাওয়া সরকার উল্টানোর থেকেও কঠিন! — WSJ বিশ্লেষণে বাংলাদেশের যোগ্য যুবদের কঠিন বাস্তব

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *