নিজস্ব প্রতিবেদক:
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অনমনীয় পরিস্থিতি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও কার্যক্রম বন্ধের কারণে আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না, দলটি কোনো প্রার্থী মনোনয়ন করেনি এবং প্রতীকও ব্যবহার করছে না। এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক দৃশ্যপটই বদলে দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশন অবশ্য আগেই জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটদান কার্যক্রম স্থিরভাবে চলবে, আর প্রচারণা শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায়।
প্রচারণা ও রাজনৈতিক অঙ্গনের এখনকার অবস্থা
আওয়ামী লীগের কোনো অফিসিয়াল প্রচারণা কিংবা জনসভা নেই, কারণ তারা নির্বাচনের বাইরে।
দলীয় কিছু নেতা ও সমর্থক ভোট বয়কট বা অনির্ণয় রেখে চলেছেন, যা ভোটের শতকরা অনিশ্চিত (undecided)-কে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই অনির্ণিত ভোট অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে জমে যেতে পারে, বিশেষ করে বিএনপি বা জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোটে।
একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন বিএনপি ও জামায়াত এখন সবচেয়ে সক্রিয়, বিশেষ করে পুরোনো আওয়ামী লীগ শক্তিশালী এলাকায়।
নির্বাচনী যুদ্ধ — বিএনপি vs জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট
দেশের রাজনৈতিক জমজমাট পরিবেশে বিএনপি দলটি প্রায় ৩০০ আসনে মনোনয়ন নিয়ে লড়াই করছে, আর জামায়াত ও তার জোটও শক্তভাবে প্রচারণায় আছে।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি, সংঘর্ষ ও ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে — BNP-Jamaat বিরোধী সংঘর্ষে বহু আহত হয়েছে বলে খবর এসেছে।
তরুণ ভোটার ও সোশ্যাল মিডিয়া-চালিত মতামত নির্বাচনে প্রবৃদ্ধ প্রভাব ফেলছে, যা নির্বাচনকে Gen-Z-কেন্দ্রিক প্রতিযোগিতা হিসেবে পরিগণিত করছে।
আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
কিছু আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এই নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক নয় বলছেন, কারণ দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল অন্তর্ভুক্ত নয়।
তদুপরি, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক ভারসাম্যকে বদলে দিয়েছে, এবং তরুণ ভোটারদের চিন্তা এই ভোটকে একটি নতুন সম্ভাবনার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সংক্ষেপে
✔️ আওয়ামী লীগ ভোটে নেই।
✔️ প্রচারণা শেষ হচ্ছে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায়।
✔️ বিএনপি ও জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট লড়াইয়ের মূল শক্তি।
✔️ অনিশ্চিত ভোটার ও তরুণ ভোটারদের মনোভাব এখন নির্বাচন ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে।