জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ ২০১৯ সালের সফল ৬ নারীর নাম প্রকাশ করেন এই ৬ নারীই হলেন সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা এই ৬ নারীই দেখিয়ে দিলেন যে জীবন কারো জন্য থেমে থাকেনা নিজের সৎ ইচ্ছা ও লক্ষ্য মজবুত হলে আল্লাহ চাইলেই যে কারো জীবন পরিবর্তন হতে পারে সেই জন্য সৎ সাহস ও পরিশ্রম করে যেতে হবে, আজ এই সফল নারী গুলো সন্দ্বীপের জন্য এক নক্ষত্র হয়ে সকলের মনে সফলতার ইচ্ছে গুলো বাড়িয়ে দিবে। সন্দ্বীপ বাসির গর্ব এই সফল নারীগণ।
![]() সফল সমাজ উন্নয়ন কর্মীঃ পুর্ব গোমদন্ডীর এ নারী স্বামীর সহযোগীতায় মীরপারা প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহ মজিদিয়া ইসলামিয়া কমপ্লেক্স, উম্মল হাবিবা হেফজখানা ও এতিমখানা প্রতিষ্টা সহ শিক্ষকতা, জনপ্রতিনিধি হিসাবে বৃত্তিমূলক কাজে সহযোগীতা, বাল্যবিয়ে, যৌতুক, ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতন কাজে উল্ল্যেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
|
![]() শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সফল নারীঃ মাইটভাঙ্গার এই নারী সন্দ্বীপ আবেদা ফয়েজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, তিনি শত বাধা উপেক্ষা এবং টিউশনি করে বিএসসি ও এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি চাকরি অর্জন করা সফল নারী। |
![]() সফল সমাজ উন্নয়ন কর্মিঃ মাইটভাঙ্গা তালাকপ্রাপ্ত এ নারী ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সেবা বাল্যবিয়ে, যৌতুক, ইভটিজিং সহ নারী ও শিশু নির্যাতনে জনসচেতনতা অসামান্য অবদান রেখেছেন। নারী প্রগতি সংঘ সন্দ্বীপ শাখায় কর্মরত থেকে সমাজ সংস্কারে নিরবিচ্ছিন্ন কাজ করেছেন।
|
![]() এক সফল জননীঃ মাইটভাঙ্গার এই নারী নাজমুল হায়দার এর স্ত্রী চার ছেলে সন্তানদের মধ্যে বড় ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছোট ছেলে কে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-পরিচালক, অপর দুইজন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত সন্তানদের শিক্ষিত করতে সংগ্রামী মা হিসেবে তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
|
![]() অর্থনৈতিক সফল নারীঃ মুছাপুরের এই নারী স্বামী ফখরুল ইসলামের মৃত্যুর পর এনজিও’র ঋণ ও সরকারি প্রশিক্ষণ নিয়ে মৎস্য ও সবজি চাষে এগিয়ে আসেন, সেনেটারী নেপকিনের কারখানা প্রতিষ্ঠা সহ ব্লক বাটিকের কাজ করেন, তিনি শত বাধা অতিক্রম করে অর্থনৈতিকভাবে সফলতা অর্জন করেন।
|
![]() সফল জননীঃ পূর্ব গোমদন্ডীর এই নারী স্বামী মোঃ আবছার মৃত্যুর পর তার চার ছেলের মধ্যে বড়কে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, মেঝকে আইনজীবী, সেজকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার সহ ছোটকে বিবিএ (অনার্স) শিক্ষা দিয়ে সংগ্রামী মা হিসাবে অন্যান্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। |





