দৈনিক তাজা খবর, অনলাইন ডেস্কঃ
কলাউজানে টিউবওয়েল বসানোকে কেন্দ্র করে প্রসাশনের ঘুম হারাম!

চট্রগ্রাম লোহাগাড়া থানার ৫ নং কলাউজান ইউনিয়নের পশ্চিম কলাউজান নাথ পাড়ার বাসিন্দা মৃত অনিল কান্তি দেবনাথের ছেলে প্রিয়তোষ কান্তি দেবনাথ নিজ খতিয়ানভুক্ত জায়গায় টিউবওয়েল খনন করার সময় পাশ্ববর্তি ননী গোপাল নাথ ও তার পরিবার প্রতিহিংসা মূলক ও অবৈধভাবে বাধা প্রদান করে, তখন প্রিয়তোষ দেবনাথ তার বাধা প্রদানের কারণ জানতে চাইলে তখন তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও ধমক দেয় এবং বেশি বাড়াবাড়ি করিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের কে হয়রানির ভয় দেখায়।
তার কিছুক্ষণ সময়ের মধ্যে লোহাগাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হন এবং কোন প্রকার অভিযোগ ছাড়াই জোর পুর্বক টিউবওয়েল খননের কাজ বন্ধ করে দেয়। ভুক্তভোগী প্রিয়তোষ দেবনাথ কোন উপায় না পেয়ে লোহাগাড়া থানার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে টিউবওয়েল খননের জন্য একটি আবেদন করেন অতপর প্রাথমিকভাবে মৌখিক অনুমোদন পেলেও পরবর্তীতে আবার নিষেধ করে দেওয়া হয় । এছাড়াও লোহাগাড়া থানার ভূমি অফিস ও এলজিআইডি অফিসেও টিউবওয়েল বসানোর আবেদন করা হয়েছে কিন্তু কোন আশা স্বরুপ ফলাফল পায়নি বলে জানান ভুক্তভোগী প্রিয়তোষ,
সংশ্লিষ্ট সকল অফিসে ও ব্যক্তিদের জানানোর পরেও টিউবওয়েল বসানো আরোও কঠিন হয়ে গেছে এবং পার্শ্ববর্তী ননী গোপাল নাথ ভুক্তভোগী প্রিয়তোষ ও তার পরিবার কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করিতেছে, ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে সংবাদ কর্মীরা ঘটনাস্থলে সরজমিনে তদন্ত করে জানতে পারলেন যে, আদালতে যে অভিযোগে মামলা করা হয়েছে তার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই।
ভুক্তভোগী প্রিয়তোষ রাস্তার পাশে তার খতিয়ানভুক্ত জায়গার মধ্যেই টিউবওয়েল বসাচ্ছিলেন। কিন্তু সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী রাস্তার সোল্ডারে কোন ধরনের গভীর খনন ও স্থাপনা করা যাবে না। তবে সরজমিনে দেখা যায় যেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা হয়েছে ঐ জায়গাযর রাস্তার সোল্ডার তো দুরের কথা উলটো রাস্তার উপরেই চন্দন কান্তি নাথের (যুগ্ম জজ সার্ভে এন্ড ল্যান্ড বরিশাল) আরেকটি পাকা দালান স্থাপনা রয়েছে যেটার অবস্থান হলো যেখানে টিউবওয়েল বসানো হচ্ছে ঐ স্থান হইতে আরো ৪/৫ ফুট রাস্তার উপর যাহা সম্পন্ন অবৈধ স্থাপনা।
এই স্থাপনার ব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় লোকজন সংবাদকর্মীদের বলেন এটা জজ সাহেবের বাড়ি, এবং মামলার বাদী ননী গোপাল নাথ হলেন জজ সাহেবের আপন বড় ভাই।
এই বিষয়টি একটু রহস্যে জনক মনে হওয়ায় সংবাদকর্মীরা লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ এনামুল হাসানের সাথে আলোচনার মাধ্যমে তিনি সম্পূর্ণ বিষয়টি জানার পর বলেন এই সামান্য বিষয়টির জন্য আমার ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছে, এটার জন্য এত বেশি ফোন আসছে যার জন্য আমি রীতিমত বিরক্তিবোধ করছি। কিন্তু ফোন কলের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন উনি আমার সিনিয়র এবং এই কথা শোনার পরে আর বুঝতে বাকি রইলোনা যে ফোনের ওপাশের আসল ব্যাক্তিটি কে?
ভয়ের কারনে এলাকার সাধারণ জনগণ কোনভাবেই কোন বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে চায় না, কোন কিছু জিজ্ঞেস করলেই তারা এড়িয়ে চলেন ,কেমন যেন মনে হয় তাদের ভিতর সব সময় একটা আতংকতা কাজ করে।
কলাউজানে টিউবওয়েল বসানোকে কেন্দ্র করে প্রসাশনের ঘুম হারাম!
তথ্য সংগ্রহ করেনঃ নুর মোহাম্মদ