নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক তাজাখবর ডেস্ক:
পবিত্র রমজান মাস শেষ হওয়ার পর মুসলিম উম্মাহর মাঝে আসে খুশির বার্তা—ঈদুল ফিতর। এর পরপরই শুরু হয় শাওয়াল মাস, যা ফজিলতপূর্ণ আমলের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
এই মাসের অন্যতম আমল হলো শাওয়ালের ৬টি নফল রোজা, যার ফজিলত হাদিসে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বর্ণিত হয়েছে।
হজরত আবু আয়্যুব আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন—
“যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল, এরপর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল।”
(সহিহ মুসলিম, তিরমিজি)
তবে অনেক মুসলমান—বিশেষ করে নারীরা—রমজানের কিছু রোজা কাজা রাখতে বাধ্য হন (ঋতুস্রাব বা অন্যান্য শরিয়তসম্মত কারণে)। তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে—
👉 আগে কি কাজা রোজা আদায় করবেন, নাকি শাওয়ালের ৬ রোজা রাখবেন?
🔍 এ বিষয়ে অধিকাংশ আলেমের সুস্পষ্ট মত হলো:
➡️ ফরজ ইবাদত আগে, নফল পরে।
অর্থাৎ, রমজানের যেসব রোজা বাকি আছে, সেগুলো আগে কাজা আদায় করাই উত্তম ও অগ্রাধিকারযোগ্য। কারণ ইসলামে ফরজ ইবাদতের গুরুত্ব সর্বোচ্চ।
সমসাময়িক প্রখ্যাত ইসলামি বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মিজানুর রহমান আজহারীসহ বহু আলেম একই মত পোষণ করেন—
✔️ আগে কাজা রোজা সম্পন্ন করুন
✔️ এরপর সুযোগ থাকলে শাওয়ালের ৬ রোজা রাখুন
সারসংক্ষেপ:
একজন সচেতন মুসলমানের জন্য প্রথম দায়িত্ব হলো ফরজ আদায় করা। তাই শাওয়ালের ফজিলতপূর্ণ নফল রোজা পালনের আগে রমজানের কাজা রোজা সম্পন্ন করাই উত্তম ও শরিয়তসম্মত।