আরিফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
১০নং সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জনাব মোঃ মহিউদ্দিন এখন তৃণমূল রাজনীতির এক সুপরিচিত ও আস্থার নাম।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি প্রমাণ করেছেন—নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সাহস ও দায়িত্ববোধ। দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থেকে সংগঠনকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো এবং সুসময়ে কর্মীদের মূল্যায়ন—এই দুইয়ের সমন্বয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন এক কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষায়, “মহিউদ্দিন ভাই আমাদের জন্য ছায়ার মতো। বিপদে-আপদে আগে তিনি এগিয়ে আসেন, পরে নিজের কথা ভাবেন।”
এলাকার গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন। অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা সহায়তা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা, শীতবস্ত্র বিতরণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো—এসব উদ্যোগে তিনি ইতোমধ্যে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “রাজনীতি অনেকেই করেন, কিন্তু মানুষের দরজায় কড়া নাড়ে কয়জন? মহিউদ্দিন সাহেব সেই মানুষ, যিনি ডাকে সাড়া দেন।”
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম এখন আলোচনার শীর্ষে। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, শিক্ষিত ও দূরদর্শী চিন্তাভাবনা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তরুণ প্রজন্ম মনে করে, তাঁর নেতৃত্বে সলিমপুর ইউনিয়নে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
বিএনপির প্রভাবশালী নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ–এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, “তিনি শুধু নির্দেশ দেন না, নিজে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন—এটাই তাঁকে আলাদা করেছে।”
জনাব মোঃ মহিউদ্দিন বলেন,
“আমার রাজনীতি মানুষের জন্য। ক্ষমতা নয়, সেবা আমার লক্ষ্য।”
আরও বলেন,
“সলিমপুরকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়নে পরিণত করতে চাই। এখানে যেন কোনো গরিব মানুষ অবহেলিত না থাকে—এটাই আমার অঙ্গীকার।”
তিনি দৃঢ় কণ্ঠে যোগ করেন,
“দল ও জনগণের আস্থা থাকলে আমি সলিমপুরের উন্নয়নে দিন-রাত পরিশ্রম করতে প্রস্তুত।”
তৃণমূলের প্রত্যাশা—ত্যাগ, সততা, মানবিকতা ও সাহসিকতায় গড়া এই নেতৃত্ব আগামী দিনে সলিমপুর ইউনিয়নে উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।