আরিফুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিবেদন:
সীতাকুণ্ডে এখন যে চিত্রটা স্পষ্ট—
মাঠে দাপট, জনতার ঢল, আর প্রচারণায় ধানের শীষের একচেটিয়া উপস্থিতি।
ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসিএ-এর পক্ষে সাম্প্রতিক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভাগুলোতে যে সাড়া মিলছে, তা এই আসনে নির্বাচনের গতিপথ বদলে দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
১) গণসংযোগে জনসমুদ্র — মাঠের বাস্তবতা ধানের শীষের পক্ষে
সীতাকুণ্ড পৌরসভা, বগাচতর, বাড়বকুন্ড, কুমিরা, সোনাইছড়ি, সলিমপুর—
প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই গণসংযোগ মানেই মানুষের ঢল, স্লোগানের গর্জন আর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।
চারদিকে একটাই স্লোগান—
“ভোট দিবো কিসে — ধানের শীষে!”
গ্রাম থেকে শহর—
সমর্থনের ঢেউ এখন আর সীমাবদ্ধ নয়, পুরো সীতাকুণ্ডজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।
২) আইনি জটিলতা পেরিয়ে আরও শক্ত অবস্থান
মনোনয়ন নিয়ে আইনি লড়াই পার করে আসলাম চৌধুরী এখন আরও দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী।
তার স্পষ্ট বার্তা—
“আমি নির্বাচন না করলে এই নির্বাচনই হবে না।”
এই বক্তব্য মাঠপর্যায়ের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আগুন জ্বেলে দিয়েছে।
বিভ্রান্তি কাটিয়ে দলে ফিরেছে ঐক্য,
প্রচারণা চলছে ফুল স্পিডে, ফুল এনার্জিতে।
৩) পরিবার মাঠে— আস্থার বড় সিগন্যাল
শুধু প্রার্থী নন, পুরো পরিবার এখন মাঠে সক্রিয়—
স্ত্রী জামিলা নাজনীন মাওলা নিয়মিত গণসংযোগে
কন্যা মেহরীন আনহার উজমা সলিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘরে ঘরে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন
এতে স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া—
“পুরো পরিবার যখন মাঠে নামে, তখন বোঝা যায় তারা সত্যিই সীতাকুণ্ডের দায়িত্ব নিতে চায়।”
৪) উন্নয়নের রোডম্যাপ— মানুষের মনে ধরেছে
শুধু স্লোগান নয়, আসলাম চৌধুরী দিচ্ছেন পরিকল্পনার কথা—
শিল্প + কৃষির সমন্বয়ে অর্থনৈতিক জাগরণ
পর্যটন, শিপইয়ার্ড ও কৃষিখাতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ
কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে আধুনিক ও স্বনির্ভর সীতাকুণ্ড
স্থানীয়দের কণ্ঠে কণ্ঠ—
“এবার শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব উন্নয়নের রূপরেখা শুনছি।”
৫) মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় দাপট
এনটিভি, একুশে টিভি, ২৪ টিভি, সি-প্লাসসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে
ধানের শীষের উঠান বৈঠক, পথসভা ও গণসংযোগের লাইভ কাভারেজ হচ্ছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে— “কেন ধানের শীষে ভোট দেবেন” বিষয়ক ভিডিও, পোস্ট ও জনমতের ক্লিপ।
অনেকে বলছেন—
“আসলাম চৌধুরীই সীতাকুণ্ডের সবচেয়ে প্রস্তুত ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী।”
সবচেয়ে বড় পজিটিভ বার্তা
এই মুহূর্তে সীতাকুণ্ডে—
ধানের শীষের প্রচারণাই সবচেয়ে সংগঠিত, সবচেয়ে জোরালো এবং সবচেয়ে জনপ্রিয়।
কর্মী-সমর্থক-সাধারণ মানুষ এক কণ্ঠে বলছে—
“এবার ধানের শীষের পালা — সীতাকুণ্ড বদলে যাবে!”