চট্টগ্রাম | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রশাসন ও নির্বাচন অফিসের যৌথ আয়োজনে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এসব সভা হয়।
সভায় নির্বাচন পরিচালনায় সততা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
৩–৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে ফোর্স
প্রশিক্ষণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন,
“নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের প্রক্রিয়া নয়—এটি একটি ভেঙে পড়া আস্থাকে পুনর্গঠনের সুযোগ। এখানে ব্যর্থতার সুযোগ নেই। আমাদের একমাত্র সাফল্য হবে—মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনা।”
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি জানান,
“যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে ৩ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে। সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের মধ্যেই ফোর্স পৌঁছানোর প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও ভোটারদের নিরাপত্তায় আনসার, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্য মোতায়েন থাকবে।
প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি, ২৪ ঘণ্টা নজরদারি
জেলা প্রশাসক জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্র থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। কোনো অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রে দায়মুক্তির সুযোগ থাকবে না—আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিরপেক্ষতাই পরিচয়
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় ভোটের পাশাপাশি গণভোটের বিষয়েও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
“সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় নিরপেক্ষতা। আইন যেভাবে নির্দেশ দেবে, সেভাবেই দায়িত্ব পালন করতে হবে—প্রয়োজনে ত্যাগ স্বীকার করেও।”
উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ কর্মকর্তারা
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান,
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান,
মেজর মো. আসিফুর রহমান,
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক গোলাম মঈনউদ্দিন হাসান,
আনসার ও ভিডিপির সহকারী পরিচালক ফরিদা পারভিনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
প্রত্যাশা: শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন
সভা শেষে জেলা প্রশাসক আশাবাদ ব্যক্ত করেন—
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে। লক্ষ্য একটাই—