দৈনিক তাজা খবর, অনলাইন ডেস্কঃ
সীতাকুণ্ডে অক্সিজেন প্ল্যান্ট বিস্ফোরণে হঠাৎ কাঁপানোর শব্দে আকাশ অন্ধকার হয়ে গেলঃ দৈনিক তাজা খবর।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় অক্সিজেন প্লান্টে বিস্ফোরণে ছয়জন নিহত ও ২৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
বিস্ফোরণের পর আগুন লেগে যায়। বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জেল আহমেদ আমাদের চট্টগ্রাম স্টাফ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে নিহত ও আহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্যকেন্দ্র সূত্র জানায়, নিহতদের মধ্যে শামসুল আলম, ফরিদ, রতন, মো: শহীদ ও মো. কাদের নামে পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
অন্য নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহত ছয়জনের মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে কদমরসুল বাজারে ধাতব বস্তুর আঘাতে একজন নিহত হয়েছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোঃ ফখরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার পর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান ডিসি।
এর আগে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ জানান, পুলিশ অক্সিজেন প্লান্টটি ঘিরে রেখেছে।
আজ বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কদমরসুল এলাকায় শেমা অটোমেটিক রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান শেমা অক্সিজেন অক্সিকো লিমিটেডের অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ ঘটে।
সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোঃ নুরুল আলম দুলাল জানান, বিস্ফোরণের পর আগুন লেগে যায়। আনুমানিক বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
মিলের কাছের বাসিন্দা মোঃ লোকমান জানান, আনুমানিক বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি অক্সিজেন প্ল্যান্টের ভেতরে হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান।
প্ল্যান্টের কাছের ফারিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক মোঃ ইদ্রিস সাংবাদিকদের বলেন, বিস্ফোরণের শব্দ শুনে তিনি তার অফিস থেকে বের হন এবং প্ল্যান্টের সামনে কয়েকজন আহত ব্যক্তিকে দেখেন।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জেল আহমেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।
গত বছরের ৪ জুন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণে ৫১ জন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত এবং বিপুল পরিমাণ আমদানি-রফতানি কনটেইনার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তথ্য সংগ্রহ করেনঃ নুর মোহাম্মদ