দোকানে ​ফেলে যাওয়া ৫ ​লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ​মানবতার পরিচয় দিলেন​ স্বন্ধীপের​ বিজয় বনিকঃ দৈনিক তাজা খবর।

​দোকানে ​ফেলে যাওয়া ৫ ​লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ​মানবতার পরিচয় দিলেন​ সন্দ্বিপের​ বিজয় বনিক

জাতীয় বাংলাদেশ

দৈনিক তাজা খবর, আরিফুল ইসলাম,  

দোকানে ​ফেলে যাওয়া ৫ ​লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ​মানবতার পরিচয় দিলেন​ সন্দ্বিপের​ বিজয় বনিকঃ দৈনিক তাজা খবর।

দোকানে ​ফেলে যাওয়া ৫ ​লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ​মানবতার পরিচয় দিলেন​ সন্দ্বিপের​ বিজয় বনিকঃ দৈনিক তাজা খবর।

গতকাল দুপুর ১২ টায়​ ​ ​সন্দ্বিপের​ ​​এবি ব্যাংক শাখা থেকে ৫ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে ​ধোাপার হাট অলস্টার ক্লাবের সদস্য শাহেদুল ইসলাম শাহেদ ও ​বন্ধু হাসানুল হক রুবেল একই মোটর সাইকেল দিয়ে বাড়ি ​ফেরার পথে রওয়ানা দেন এবং তারা এনাম নাহার মোড়স্থ বিজয় জুয়েলার্সে থেকে একটি পুরাতন কানের দুল মেররামত করতে দেওয়া অলংকারটি ডেলিভারি নিতে প্রবেশ করেন, ​কিন্তু অলংকারটি ডেলিভারি নেওয়ার চলে আসার সময় এবি ব্যাংকের নিজস্ব খামে ভরা ৫ লক্ষ টাকা ভুল করে ফেলে রেখে আসেন।

​তিনি ইতিমধ্যে অনেক দূর চলে এসেছেন এবং পথে এক পরিচিত ব্যাক্তির সাথে কথা বলতে বাইক থামার পর টাকার কথা মনে পড়লো তারপর সাথে সাথে সেখান থেকে ইদ্রিস চেয়ারম্যানের ছেলে বিজয় বনিককে ফোন করে টাকার কথা জিজ্ঞাসা করায় বিজয় বনিক টাকার কথা শিকার করে বলেন যে আমার এখানে ভুলে ফেলে গেছেন এবং ভাগ্যক্রমে আমার হাতেই পড়েছে তারপর তিনি বলেন যে টাকার মালিককে এসে নিয়ে যেতে বলুন তারপর তাৎক্ষনিক তারা সেখানে গিয়ে টাকা পেয়ে আনন্দে অনেকটা কেঁদে ফেলেন।

​শাহেদুল ইসলাম শাহেদ মুঠোফোনে এ দৈনিক তাজা খবরকে বলেন যে কে বলে পৃথিবীতে ভালো মানুষ নেই? আমি আমার জোর গলায় বলতে পারবো এখনো পৃথিবীতে ভালো মানুষ আছে এনাম নাহার মোড়ের  বিজয় জুয়েলার্সের মালিক বিজয় বনিকের সততাই আজ প্রমান করে দিয়ে সততা ও মহৎ এর পরিচয় দিলেন। এবং তিনি ​টাকা ফেরত পাওয়ার পর বলেন ভাই  আপনার সততার কাছে আমি হার মানলাম। অন্য ধর্মের কাউকে কখনো হেনেস্ত করতে নেই। ভালোবাসা থাকলো আপনার জন্য, আপনার কাছে ঋণী থাকলাম। যদি কখনো আপনার উপকার করতে পারি তবে নিজেকে ধন্য মনে করবো।

​সততার প্রতীক বিজয় বনিক এ ব্যাপারে মুঠো ফোনে দৈনিক তাজা খবরকে বলেন ওনারা যখন আমার দোকানে এসেছিলেন তখন নারী পুরুষ সহ অনেক কাস্টমারে ভর্তি ছিলো। তাই আমিও খুব ব্যস্ত ছিলাম। অন্যদিকে আমার দোকানে সিসি ক্যামেরা থাকলেও আজ প্রায় একমাস সেটি নষ্ট হয়ে আছে। ভাগ্যিস সে টাকাটা আমার হাতে পড়েছিলো নয়তো সিরিয়াস একটা বদনামে পড়তাম। টাকা গুলো মালিককে ফেরত দিতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। কারন বিজয় জুয়েলার্স সব সময় সততা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাকে কেউ ভুল বুঝতে পারেনি সেজন্য স্রষ্টার নিকট কৃতজ্ঞ।

​এছাড়াও বিজয় বনিকের এমন সততায় মুগ্ধ হয়ে পুরো এলাকায় সে আলোচনার সমালোচনায় পরিনত হয়েছে তাহা সকলেই তার প্রশংসায় মুগ্ধ হয়েছেন এবং সবাই বলছেন বিজয় বনিকের মতো ভালো মানুষ আছে বলে পৃথিবী আজও টিকে আছে।

আরও খবর পড়তে দৈনিক তাজা খবর ক্লিক করুন 

তথ্য সংগ্রহ করেনঃ আরিফুল ইসলাম

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *