আরিফুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,| ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী বন্দরনগরী চট্টগ্রাম–এর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী–বাকলিয়া) সংসদীয় আসনটি স্থানীয়ভাবে ‘ভিভিআইপি আসন’ কিংবা ‘লাকি আসন’ নামে পরিচিত।
দীর্ঘদিন ধরে একটি বিশ্বাস প্রচলিত—এই আসনে যে দল জয় পায়, সাধারণত সেই দলই সরকার গঠন করে। অতীতেও একাধিকবার এই ধারা মিলেছে বাস্তবতার সঙ্গে।
এই ঐতিহ্যবাহী আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। তিনি পেয়েছেন ১,০৯,৩৮৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩,৪০৭ ভোট।
বিজয়ের পর আবু সুফিয়ানের প্রতিক্রিয়া
বিজয়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন—
“আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শোকরিয়া। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি আমাকে এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও নগরবাসীর সমস্যা-সমাধানে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই হবে তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার।
সবাইকে নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার
নবনির্বাচিত এই এমপি বলেন,
চট্টগ্রাম নগরীর নাগরিক সমস্যা সমাধান
উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা
দল-মত নির্বিশেষে সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি
—এই তিনটি বিষয়কে তিনি অগ্রাধিকার দেবেন।
বিজয়ী করায় তিনি বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকসহ চট্টগ্রাম নগরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
চট্টগ্রামে সামগ্রিক ফলাফল (সংক্ষেপে)
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম মহানগরের ৪টি আসনসহ জেলায় মোট ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে বিএনপি জয়ী হয়েছে। বাকি ২টি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, বিএনপির জয়ী ১৪ প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনই নতুন মুখ—তারা প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াত থেকেও একজন নতুন মুখ জয় পেয়েছেন।