জিতেও থামল পথ: চট্টগ্রামের দুই আসনের ফল আটকে গেল, অভিযোগ প্রমাণ হলে আসন হারানোর শঙ্কা

জাতীয় বাংলাদেশ রাজনীতি

আরিফুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ভোটে জয়ের উল্লাসের মাঝেই অনিশ্চয়তায় ঝুলে পড়েছে চট্টগ্রামের দুটি সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত ফলাফল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলেও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) ও চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ) আসনের ফল

আপাতত গেজেট আকারে প্রকাশ করা হচ্ছে না। ঋণখেলাপির অভিযোগে দুই বিজয়ী প্রার্থীর প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ হওয়ায় বিষয়টি এখন ঝুলে আছে সুপ্রিম কোর্ট–এর আপিল বিভাগের রায়ের ওপর।

 ফলাফল ঝুলে কেন?

আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দুই আসনের ফল স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অর্থাৎ—

তারা নির্বাচনে অংশ নিতে ও জিততে পারলেও

চূড়ান্তভাবে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে আদালতের চূড়ান্ত রায়ই শেষ কথা।

 চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ)

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১,৪২,৬৭৪ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯,২৬৮ ভোট।

এই আসনে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থী ও যমুনা ব্যাংক পৃথকভাবে লিভ টু আপিল করেন।

 চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি)

বিএনপি প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর পেয়েছেন ১,৩৮,৫৪৫ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন পেয়েছেন ৬২,১৬০ ভোট।

এই আসনেও হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছেন আপিল বিভাগ।

 আদালতের অবস্থান কী?

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী–এর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ গত ৩ ফেব্রুয়ারি লিভ মঞ্জুর করে বলেন—

 দুই প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন

❌ তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা যাবে না

 কী হলে ফল প্রকাশ হবে?

আইনজীবীদের মতে—

➡️ আপিলে যদি প্রমাণ হয়, তারা ঋণখেলাপি নন

➡️ তখনই নির্বাচন কমিশন ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করবে

➡️ অন্যথায় বিজয়ী হয়েও আসন হারানোর ঝুঁকি রয়েছে

জিতেও থামল পথ: চট্টগ্রামের দুই আসনের ফল আটকে গেল, অভিযোগ প্রমাণ হলে আসন হারানোর শঙ্কা

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *