আরিফুল ইসলাম,চট্টগ্রাম সংবাদ:
১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘনিষ্ঠ সময়ে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রচারণার ধরণ একেবারে পরিবর্তিত হয়েছে। এবার নির্বাচনী মাঠ শুধু রোড বা মঞ্চ নয়, বরং টিকটক, ফেসবুক ও ইউটিউবের স্ক্রিন।
জামায়াতের একটি নির্বাচনী গান ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে দেশজুড়ে তরুণ ভোটারদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও নিজেদের প্রার্থী ও ইশতেহারের প্রচারকে আকর্ষণীয় করতে গান, রিলস, মিম এবং শর্ট ভিডিও ব্যবহার করছে। প্রচারণার এই নতুন রূপে, ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং তাদের মনোযোগ ধরে রাখা এখন নির্বাচনী কৌশলের মূল চাবিকাঠি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়া কেবল ভোটারদের তথ্য পৌঁছে দিচ্ছে না, বরং তাদের মনোভাবও প্রভাবিত করছে। তরুণ ভোটাররা, যারা সময়ের বেশিরভাগ অংশ অনলাইন ভিডিও, মিম ও রিলস দেখার মধ্যে কাটাচ্ছে, তাদের আকর্ষণই এবার নির্বাচনের দিকনির্দেশক।
এছাড়া, রাজনৈতিক দলগুলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ট্রেন্ডিং হ্যাশট্যাগ, চ্যালেঞ্জ এবং ভাইরাল কনটেন্ট ব্যবহার করছে। এটি একদিকে তরুণ ভোটারদের মন জয় করছে, অন্যদিকে ভোটারদের মধ্যে প্রার্থীদের প্রতি আগ্রহ বাড়াচ্ছে।
আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন রাজনৈতিক দলের কনটেন্ট বেশি দেখছেন? টিকটক, ফেসবুক নাকি ইউটিউব? এবার ডিজিটাল লড়াইই নির্বাচনকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে।
এবারের নির্বাচনের মাঠ — টিকটক, ফেসবুক আর ইউটিউব! গান, রিলস, মিম দিয়ে চলছে তুমুল লড়াই। তরুণ ভোটারদের মন জয় করতে সব দল মরিয়া। আপনার চোখে কোন প্ল্যাটফর্ম দখল করে রেখেছে?