দৈনিক তাজা খবর নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাঙ্গুনিয়ায় অসহায় মানুষের বসত ভিটা দখল করতে চায় ভুমিদস্যুরাঃ দৈনিক তাজা খবর।
চট্রগ্রাম জেলা রাঙ্গুনিয়া থানার ১৩নং ইসলামপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড়ের খতিবনগর এলাকার হাতিরঝিল পাহাড়ে বসবাস করে আসছে বহু বছর পূর্বে হইতে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা হতে আগত গৃহহীন নিরীহ ও গরিব দুঃখী সাধারণ মানুষ , এই অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের বসত ভিটা শেষ সম্বল টুকু কেড়ে নিতে উঠে পড়ে লেগেছে ভূমিদস্যু চক্রের একটি দল অসহায় মানুষের বসতভিটা হঠাৎ নিজের বলে দাবী করে বিভিন্ন রকমের সীমানা নির্ধারণ করে পিলার বসিয়ে দেয়্ এমনি এই অসহায় মানুষের ঘরের দরজায় সহ বিভিন্ন গুরুত্তপুর্ন জায়াগায় পিলার বসিয়ে দিলে এই নিরীহ মানুষের চলাচলের জন্য বড় ধরনের বাধা হয়ে পড়ে।

প্রায় ষাট সত্তর বছর আগে থেকে ঘর করে এখানে বসবাস করছে এই নিরীহ সাধারণ মানুষ গুলো এখানে ছিল বনজঙ্গল ও বিভিন্ন রকমের বন্যপ্রাণী, সবকিছুর সাথে যুদ্ধ করে টিকে থেকে এই জায়গা উন্নতি করেছেন অসহায় মানুষগুলো এই উন্নতি করা জায়গা গুলোর উপর নজর পড়েছে ভুমিদস্যুর একটি মহলের,

এই এলাকার ২০/২৫ টি পরিবারের একটাই অভিযোগ এই জায়গায় আমরা প্রায় ৫০/৬০ বছর যাবত বসবাস করে আসছি হটাৎ করে রাঙ্গুনিয়া পশ্চিম নিশ্চিন্তাপুর এলাকার ভুমিদস্যু মাহবুব আলম এর স্ত্রী আমেনা বেগম , ভুমিদস্যু সিরাজদৌল্লা মাষ্টারের ছেলে তসলিম এবং ভুমিদস্যু লাল কাদের গং নিজেদের জমি বলে দাবি করে আমাদের ঘর ও ঘরের বাহিরে অবৈধভাবে পিলার বসিয়ে আমাদের বসত ভিটা দখল করে আমাদের উচ্ছেদ সহ প্রাণনাশের হুমকি দেয় ।
এই নিরীহ মানুষদের প্রধান মন্ত্রীর সহ সকল প্রশাসনের কাছে একটাই নিবেদন যে তাঁরা বাপ দাদার ভিটা মাটি হারিয়ে জঙ্গলে বাসস্থান করেছেন এখন যদি এই ভুমিদস্যুর দল তাদের বসত ভিটা দখল করে নিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেয় তাহলে তাঁরা কোথায় যাবে তাদের যাওয়ার কোথাও জায়গা নেই, এমতবস্থায় আমাদের ছোট ছোট বাচ্ছা , বৃদ্ধ মা-বাবা নিয়ে কোথায় যাবো ।
এই ভূমিদস্যু বাহিনী ভাড়া করা সন্ত্রাসী দিয়ে বিভিন্ন রকমের নির্যাতন, প্রাণ নাশের সহ গভীর রাতের অন্ধকারে আমাদের ঘর বাড়ি জালিয়ে দিবে বলে রীতিমত হুমকি দিয়ে আসছে বলে এলাকাবাসি জানিয়েছেন।
এছাড়াও এই ভুমিদস্যুরা বিভিন্ন কাগজ জালিয়াতি করে নিজেদের জমি বলে দাবি করে , আজকে আমরা অনেকগুলো বছর এখানে বসবাস করছি এতদিন এরা কোথায় ছিলো? আজ আমরা অনেক গভীর জঙ্গল ও বিভিন্ন বন্যপ্রানীর সাথে লড়াই করে এই জায়গা এত উন্নতি করেছি তাই এখন তাদের নজরে পড়েছে,
এই ভুমিদস্যুরা জানিয়েছে যে এই জমি নাকি এদের নামে সরকারিভাবে বন্দোবস্তি করা আছে কিন্তু তাদের কাগজপত্র চেক করলে দেখা গেছে বন্দোবস্তির যে যে শর্তগুলো আছে সেগুলো এই ভুমিদস্যুদের বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই এবং বেশিভাগ কাগজ জালিয়াতি বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী ।
এই জালিয়াতি ও ভুমিদস্যুর বিরুদ্ধে মোঃ জাফর বাদি হয়ে চট্রগ্রাম জেলা প্রশাসকের বরারর সহ গুরত্বপূর্ন সকল প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছেন।
এই নিরীহ মানুষগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে, প্রশাসনের কাছে এবং অত্র এলাকার এমপি প্রিয় জনাব হাসান মাহমুদ এর কাছে ন্যায় বিচার দাবি করেন।